Dream

Dream a dream

Deep at a silent night,

Give a life to the dream

By visualizing it.

Spend some time with the dream.

A film should play inside your mind.

Dream is live,

You are the director.

Life is full of vibe,

You are the owner.

You live according to your style,

Make the dream big,

Life is short and versatile,

You have to dig

Your goal, then your dream

Will get a permanent life.

_________________________________

Daily we should visualize that the dream has been fulfilled. Then only your dream will be converted into the reality. Stay blessed!

প্রাকৃতিক আমি

Myself on the Tree


সূর্য যখন ঢেকে মেঘেদের মাঝে ,

আমি তখন রাস্তায় লোকারণ্যে। 

আকাশে যখন মেঘগুলো ভাসে ,

আমার মনে তখন নানানরকম চিন্তা আসে। 

মেঘেদের যেমন যাওয়া আসা তবু ও বৃষ্টির নেই দেখা ,

ঠিক তেমনি আমিও শুধুই হাঁটতে থাকি,গন্তব্যস্থলে পৌঁছায় না  ।।

কখনো যখন গাছের পাতাগুলো স্থির,আর বাতাস গম্ভীর ,

আমি তখন মনকে মানিয়ে রুটিন টা করি মনঃস্থির। 

পরক্ষনেই যখন সূর্যের তেজে সব কিছু উত্তপ্ত ,

আমি তখন রান্নাঘরে রান্না-বান্না তে খুব ব্যস্ত। 

বিকেলের স্নিগদ্ধতায় সব কিছু নিমজ্জিত শীতল বাতাসে , 

আমি তখন বদ্ধ ঘরে বসে ,জানালার দিকে তাকিয়ে।।

প্রকৃতি যেমন মেঘ ,চাঁদ ,সূর্য এর যাওয়া আসা ঠিক করে ,

প্রকৃতি ঠিক তেমনি আমার জীবন-রুটিনটাও তৈরি করে। 

পরীক্ষার হলে রহস্যে ভরা মেয়েটি

সকাল থেকেই আকাশ গম্ভীর,

চারিদিকে শুধু কালো মেঘের ভীড়। 

ঝিরিঝিরি বৃষ্টি ,সাথে দমকা হাওয়া ,

ফনি কিংবা বুল্বুল এর  শুধু আসা আর যাওয়া। 

কখনো পশ্চিমবঙ্গে ,

আবার কখনো বাংলাদেশে। 

এইরকম এক মনখারাপের পরিবেশে 

মেয়েটি ক্লাসরুমে বসে ,

সব ছেলেমেয়েরা ঢুকছে একে একে,

প্রশ্ন সবার চোখে মুখে। 

এক অজানা ভয় ,

পরীক্ষার দিনে এমনটা সবারই হয়। 

তবুও এতজনের মাঝে ,

ওই মেয়েটি ই শুধু নজর কাড়ে। 

সমস্ত চাপ যেন আজ তার ঘাড়ে। 

মনে মনে শুধু বিড়বিড় করে। 

কি জানি কার সাথে এতো কথা বলে ?

চুপিচুপি দাঁড়ালাম তার পাশে,কৌতূহলে। 

ঢং ঢং বাজলো প্রশ্ন দেওয়ার ঘন্টা ,

এক নিমেষে বদলে ফেললো মনটা। 

এখন মেয়েটি একদম সিরিয়াস ,

সব উত্তর লিখার এক অদম্য প্রয়াস। 

মন কে শুধুই চাপ দিতে থাকে ,

রাতভোর অবধি একটার পর একটা 

উত্তর জমিয়ে ছিল যেখানে –

সেই মন সব ভুলে 

শুধু অন্যদিকেই ছুটে। 

মেয়েটির সাথে মেয়েটির মনের এক জোরালো লড়াই,

কপালের ভাঁজগুলোই সেই পরিচয় দেয়।  

জানা প্রশ্ন ,গতকালের কঠোর পরিশ্রম 

তবুও মনের ভালো লাগা সেই ভ্ৰম। 

আর তো মাত্র ৫টা মিনিট সময় 

মেয়েটির মনে কি পরীক্ষারই ভয়,

নাকি অন্য কিছু ?

সময় বলবে সব কিছু। 

মেয়েটি উত্তরপত্র দিয়ে ,

বসে রইলো আনমনে। 

আবার সেই দুটো চোখ এর গভীরতা ,

মুখে শুধুই বিষন্নতা। 

বাহিরে বৃষ্টির গর্জন বাড়তে থাকে ,

মেয়েটির চোখ  কিছু একটা আঁকতে থাকে। 

না ,পরীক্ষার জন্য চাপ নয় ,

মুখে চোখে অন্য কোনো ভয়। 

————————————————————————

বাকিটা এখানে নয় 

বলবো অন্য কোনো কবিতায় 

কি হয়েছিল মেয়েটির সাথে 

তুমি আছো বলে

তুমি আছো বলে ,

জীবন আজও ছন্দে চলে। 

তুমি আছো সাথে ,

তাইতো মন স্বপ্ন দেখে। 

তুমি আছো বলে , 

জীবনে শক্তি আসে। 

তুমি আছো পাশে ,

তাই আমার আমি সহজেই হাসে। 

তুমি আছো বলে ,

মনে সাহস আসে। 

একলা এক ঘরে ,

মন মানিয়ে নিতে জানে। 

তুমি আছো বলে ,

মন দূরত্ব কমাতে জানে। 

নাইবা থাকলে একদম কাছে ,

ফোন তো আছে আমার কাছে । 

তুমি আছো বলে ,

রাতের অন্ধকার যায় ঘুচে। 

ফোনে  খানিকক্ষণ কথা –

আলোকিত করে বিছানা। 

তুমি আছো বলে ,

একাকীত্বও আমার সাথে কথা বলে। 

তুমি আছো বলে ,

জীবন সামনের দিকে এগিয়ে চলে। 

তোমাকে চাই

খুব চেয়েছিলাম -তুমি আসবে, 

উত্তপ্ত ওই ভূমিতে শীতলতা আনবে।
মনে প্রাণে চেয়েছি তোমায় ,
রাঙ্গাবে হৃদয় বৃষ্টির ফোঁটায়।
যদি আমি পারতাম –
কয়েক পশলা বৃষ্টি চেরাপুঞ্জি থেকে ধার নিতে,
রাজস্থানের তপ্ত ভূমি কে সিক্ত করতে,
কিংবা অগ্নিসিক্ত আমাজনকে উদ্ধার করতে,

তাহলে তোমার কাছে ভিক্ষে কি চাইতাম ?
বিশ্বাস করো, তোমার ওপর অগাধ আস্থা ছিল।
তাই আমার এই সারা দেহ -মন জুড়ে ছিল

শুধু ভালোবাসা- তোমার প্রতি।
হৃদয় গভীরে রেখেছিলাম -এক ভালোবাসার খনি।

যদি আমি পারতাম পাহাড়ের গা থেকে
ধ্বসে পড়া পাথরগুলো দিয়ে
সুন্দর করে কম্বল বানাতে,
আছড়ে দিতাম আগুন এর লেলিহান শিখাতে,
মেরে ফেলতাম অগ্নিদেব এর অহংকারকে।
একটাই শুধু দাবি ছিল তোমার কাছে।

বলেছিলাম -আগুনের লেলিহান শিখার অবসান ঘটাতে।
আমাজানের প্রাণী-উদ্ভিদদের জীবন নেওয়াতে মেতেছে
যে অগ্নিদেব ,আশা করেছিলাম তুমি যাবে মহিষাসুরমর্দিনী হয়ে,
তার প্রাণ নিতে কিংবা তার কিছুটা তেজ
তুমি তোমার মেঘের পিঠে চাপিয়ে
নিয়ে যাবে সুমেরু-কুমেরুর মতো ঠান্ডা দেশে।
আশ্বাস দেবে আমাজানের প্রাণীদের।

এই কঠিন পরিস্থিতিতে কী করে পথ হারালে,

পথ হারিয়ে নেমে এলে কলকাতাতে?

যাও বৃষ্টি, যাও – আমাজনের জঙ্গলে,

তোমার দক্ষতার পরিচয় যেন মেলে-

খবরের কাগজে একদম সকালে,

প্রতিক্ষায় থাকবো আমরা সক্কলে।

Thank you for reading. Let us make a beautiful world together. God bless.

তুমি

picture of love with husband without words with scenary এর ছবির ফলাফল

আমিই  সেই  মেয়ে,

ভেসে বেড়াই কল্পনার ভেলায়।

তুমি বাস্তব, বড্ড কঠিন ,

আমাকেও করেছো রংহীন।

ভেবেছিলাম তোমায় আমি রাঙ্গাবো ,

তোমাকে আমার ভেলায় ভাসাবো।

বাস্তব তুমি,হারিয়ে দিয়েছো কল্পনাকে ,

কল্পনা তুমি মুল্যহীন,রাখো আড়ালে নিজেকে।

আমিই  সেই  মেয়ে,

স্বপ্ন দেখি দিবালোকে।

তুমি ভাবো  টাকায় পেট ভরে ,

আমি ভাবি ভালোবাসায় মন ভরে।

তুমি বলো মন ভরলেই কি পেট ভরে ?

আমি বলি ভালোবাসা অসাধ্য সাধন করে।

তুমি ভাবো কাল বাদে পরশুর কথা।

আমি ভাবি মজায় কাটুক আজকের দিনটা।

আমিই  সেই  মেয়ে,

বৃষ্টি হয়ে পড়তে চাই তোমার গায়ে।

তুমি ভিজলেও তোমার মন ভিজবে না,

তবু আমি তোমার কাছে হার মানবো  না।

তুমি এইরকমই বড্ডো নির্বিকার ,

আমার মন করে হাহাকার।

তোমার জন্যই আজ আমি কবি ,

হয়ে শুধু ভালোবাসার কথাই ভাবি।

First Creations

We were the first in this Universe,

Didn’t know the purpose of us!

Didn’t know who was she ,

Walking with me ?

We both were walking across the sea,

Did not know why she was following me ?

Why I was following her ?

And who was the creator ?

Both of us had same questions,

Both of us had same feelings.

With us, nobody was there ,

except Tree,wind,water,land and care !

No insect, no animal, no human;

Did not know about our guardian.

Feeling like -someone had given us huge responsibility,

For growing,for enlarging, for creating beauty

In this earth, “But How “-Both of us asked.

Answer came -“By love and fight, being accepted and rejected,

Being familiar with different feelings”.

Then miracle happened,environment got live.

So many creatures were become alive.

Nature started to bless us and a family had been created.

We grew and grew, generation had been evolved.

We two and our little two all together started expanding the universe.

Other creatures also grew along with us.

We realized the beauty of our love and fight,

We realized the beauty of opposites

Due to which world expands,moves

Nature and environment bless to all of us .

Thank you for reading. Let us make a beautiful world together. God Bless !

Copyright@tanusrirchokhe

Please don’t copy the picture also without permission.

Picture Courtesy : collected from my Friend -“Firan”

কালবৈশাখীর আগমনে

picture of thunderstorm from window à¦�র ছবির ফলাফল

আজ আনন্দে ভরপুর আমার এই মন,

তুমি বুঝবে না কি এর কারণ ।

আজ আমার প্রকৃতি আমার ঘরে ঢুকে গেছে;

জানো- এসেছে খোলা জানালা দিয়ে,

আর ভিজিয়ে দিয়ে স্নিগ্ধতা রেখে গেছে-

আমার নরম বিছানাতে।

আজ প্রকৃতি আমার প্রেমে পড়েছে,

তুমি বুঝবে না আমার মনে কেন এত আনন্দ ঝরছে,

প্রচুর গরমে বাতানুকুল চালিয়ে ঘুমন্ত ছিল

আমার শরীর-প্রকৃতি বাতানুকূলের ছিদ্র দিয়ে এসে,

দিয়েছে দোলা, জাগিয়েছে শিহরণ-

আমার মনে, আমার ক্লান্ত শরীরে।

সাথে সাথে খুলে গেল জানালা,

আজ আমি প্রকৃতির সাথে একদম একলা,

কিন্ত মনে হচ্ছে পুরো ভুবন আমার সাথে।

মাঝে মাঝে ছুঁয়ে যাচ্ছে বৃষ্টি আমাকে।

কখনো বা ঝড়ো বাতাস আমার সাথে খেলছে ভালো,

আমার মাথার চুলগুলোকে করছে শুধু এলোমেলো।

একটা অসাধারন অনুভূতি জাগছে আমার মনে,

মনে হচ্ছে সাময়িক এর জন্য গোটা ভুবন আমার সাথে।

আজ জ্বলবে না কোনো কৃত্রিম আলো,

বিদায় জানাই কৃত্রিম হাওয়া কেও।

আজ প্রকৃতির চমকানো আলোতেই,ঘর হবে আলো;

সেই আলোয় তোমায় আমায় লাগবে বেশ ভালো।

চলো,জ্বালিয়ে দিই মাটির প্রদীপ ঘরের কোনায় কোনায় –

আজ প্রকৃতির সাথে আমরা নিজেদের কেও চলো সাজায়।

জানো,বাতাস আমায় কথা দিয়েছে,

আজ নিশীথে থাকবে আমাদের কাছে।

বিজলি বলেছে-লাগবে না কোনো আলো,

আরো বলেছে সে রাখবে আমাদের ভালো,

মেঘ বলেছে পরবর্তী সকালে –

আটকে রাখবে সূর্যকিরণ কে,

আরো বলেছে ঘুম না ভাঙ্গলে,

গুড়ুম গুড়ুম আওয়াজ পৌঁছে দেবে-

অন্তরের অন্তঃস্থলে।

বিরক্তি তে তুমি আমি উঠবো যখন জেগে,

বৃষ্টি বলেছে ছিঁটিয়ে দেবে বৃষ্টির ফোঁটা তোমার আমার আঁখিতে;

ধরপড়িয়ে বিছানা ছেড়ে উঠবো যখন,

তুমি আমি একসাথে-

বাতাস বলেছে -“আমার ঝড়ে মিলিয়ে দেব তোদের দুজনকে”

তাইতো আজ অদ্ভুত এক আনন্দে উচ্ছসিত আমার মন,

আর তুমি এখনো বুঝছো না কি এর কারণ ।

খামখেয়ালী মন

খামখেয়ালী মন,
ডানা মেলে যখন তখন,
শোনে না কোনো বারন।
মধ্যরাত্রে নিদ্রা ভঙ্গ,
দোলে ওঠে অঙ্গ প্রত্যঙ্গ,
শব্দ আর ছন্দের স্রোতে,
খাতাকলম নিয়ে হাতে,
বিছানাতে স্বপ্ন কুড়াতে,
মন সর্বক্ষণ সজাগ,
পেতে চায় সাফল্যের স্বাদ।

খামখেয়ালী মন,
আঁকতে চায়,
প্রতিটি স্বপন,
নেই কোনো সময়।
ব্যস্ত সর্বক্ষণ,
রং, তুলি হাতে,
মনের ডায়েরি তে,
অক্লান্ত পরিশ্রম।
আর একরাশ বিশ্বাস,
মনে জোগায় সাফল্যের আশ্বাস।

Thank you for reading. Let us make a beautiful world together. God bless.

COPYRIGHT @Tanusri Sen

A Kid’s Prayer(Money)

money with kids image এর ছবির ফলাফল
P.C- From Google

Money, Money – I want your death ,

Or you leave this earth,

Go to some other planet,

For you, people are fighting,

For you, my Parents are scolding.

For you, we all have to worry,

We all are in a hurry

From the age of 3 years.

For you, there is race of earnings;

Life needs a new chapter.

You leave this earth, after

That a great comfort we will get ,

Or you move on Mars planet .

There, let people fight with each other.

Myself and my parents and some friends will be here.

No race, no earning as everything will be ours.

People can’t take their home and land of vegetables,

We will spend our lives with these.

Life will be full of butter and Cheese.

Thank you for reading. Let us make a beautiful world together. God bless.

কালবৈশাখীর আগমনে

picture of thunderstorm from window এর ছবির ফলাফল

আজ আনন্দে ভরপুর আমার এই মন,

তুমি বুঝবে না কি এর কারণ ।

আজ আমার প্রকৃতি আমার ঘরে ঢুকে গেছে;

জানো- এসেছে খোলা জানালা দিয়ে,

আর ভিজিয়ে দিয়ে স্নিগ্ধতা রেখে গেছে-

আমার নরম বিছানাতে।

আজ প্রকৃতি আমার প্রেমে পড়েছে,

তুমি বুঝবে না আমার মনে কেন এত আনন্দ ঝরছে,

প্রচুর গরমে বাতানুকুল চালিয়ে ঘুমন্ত ছিল

আমার শরীর-প্রকৃতি বাতানুকূলের ছিদ্র দিয়ে এসে,

দিয়েছে দোলা, জাগিয়েছে শিহরণ-

আমার মনে, আমার ক্লান্ত শরীরে।

সাথে সাথে খুলে গেল জানালা,

আজ আমি প্রকৃতির সাথে একদম একলা,

কিন্ত মনে হচ্ছে পুরো ভুবন আমার সাথে।

মাঝে মাঝে ছুঁয়ে যাচ্ছে বৃষ্টি আমাকে।

কখনো বা ঝড়ো বাতাস আমার সাথে খেলছে ভালো,

আমার মাথার চুলগুলোকে করছে শুধু এলোমেলো।

একটা অসাধারন অনুভূতি জাগছে আমার মনে,

মনে হচ্ছে সাময়িক এর জন্য গোটা ভুবন আমার সাথে।

আজ জ্বলবে না কোনো কৃত্রিম আলো,

বিদায় জানাই কৃত্রিম হাওয়া কেও।

আজ প্রকৃতির চমকানো আলোতেই,ঘর হবে আলো;

সেই আলোয় তোমায় আমায় লাগবে বেশ ভালো।

চলো,জ্বালিয়ে দিই মাটির প্রদীপ ঘরের কোনায় কোনায় –

আজ প্রকৃতির সাথে আমরা নিজেদের কেও চলো সাজায়।

জানো,বাতাস আমায় কথা দিয়েছে,

আজ নিশীথে থাকবে আমাদের কাছে।

বিজলি বলেছে-লাগবে না কোনো আলো,

আরো বলেছে সে রাখবে আমাদের ভালো,

মেঘ বলেছে পরবর্তী সকালে –

আটকে রাখবে সূর্যকিরণ কে,

আরো বলেছে ঘুম না ভাঙ্গলে,

গুড়ুম গুড়ুম আওয়াজ পৌঁছে দেবে-

অন্তরের অন্তঃস্থলে।

বিরক্তি তে তুমি আমি উঠবো যখন জেগে,

বৃষ্টি বলেছে ছিঁটিয়ে দেবে বৃষ্টির ফোঁটা তোমার আমার আঁখিতে;

ধরপড়িয়ে বিছানা ছেড়ে উঠবো যখন,

তুমি আমি একসাথে-

বাতাস বলেছে -“আমার ঝড়ে মিলিয়ে দেব তোদের দুজনকে”

তাইতো আজ অদ্ভুত এক আনন্দে উচ্ছসিত আমার মন,

আর তুমি এখনো বুঝছো না কি এর কারণ ।

Fear

This is a rhyme for kid regarding fear felt by a kid when his / her parents are busy in working outside.

Fear fear,

My dear,

Go away !

My parents are far away !

I am alone,

At my home.

Courage , be with me.

We both will see,

How fear touch me

Courage, be with me !

Thank you for reading ! Let us make a beautiful world together ! God bless !

আমি

আমি কাঁদি গভীর রাত্রে নিঃশব্দে,
আমি হাসি দিবালোকে প্রকাশ্যে।
আমি অনুভব করি সংসারের জটিলতা ,
আমি বুঝতে পারি ভালোবাসার অভাবটা।

আমি দেখেছি ভালোবাসার ভেদাভেদ ,
আমি দেখেছি সম্পর্কের বিচ্ছেদ ,
দেখেছি বছরের ওই একটি সময়ে –
পুজোর ওই মাত্র চারটি দিনে ,
সক্কলে আত্মীয়স্বজনকে নিয়ে
থাকে কত্তো খুশি মনে।

আর পুজোর পঞ্চম দিনে
সক্কলে মজে যায় নিজ সংসারে।
সংসারের জটিলতায় লিপ্ত হয় গোপনে ,
দিনগুলো বইতে থাকে আপন স্রোতে।

আমি কাঁদি, পুজোর ওই চারটে দিনেও কাঁদি ,
শুধুই অঝোরে কাঁদতে থাকি আমি।
নীরবে নিভৃতে একান্তে ,
মনুষ্যলোকের দৃষ্টির বাইরে কল্পনার জগতে
স্বপ্ন দেখি এক বিশাল পৃথিবীর ,
যেখানে শুধুই দেবতাদের ভীড় ,
যেখানে নেই ভ্রাষ্টাচার, নেই রাজনীতি ,
যেখানে শুধুই দেবী,দেবতা আর প্রকৃতি।

কালবৈশাখীর আগমনে

Nature also may fall in love with someone… This poem describes about that love story of nature

Nature is God

picture of thunderstorm from window এর ছবির ফলাফলআজ আনন্দে ভরপুর আমার এই মন,

তুমি বুঝবে না কি এর কারণ ।

আজ আমার প্রকৃতি আমার ঘরে ঢুকে গেছে;

জানো- এসেছে খোলা জানালা দিয়ে,

আর ভিজিয়ে দিয়ে স্নিগ্ধতা রেখে গেছে-

আমার নরম বিছানাতে।

আজ প্রকৃতি আমার প্রেমে পড়েছে,

তুমি বুঝবে না আমার মনে কেন এত আনন্দ ঝরছে,

প্রচুর গরমে বাতানুকুল চালিয়ে ঘুমন্ত ছিল

আমার শরীর-প্রকৃতি বাতানুকূলের ছিদ্র দিয়ে এসে,

দিয়েছে দোলা, জাগিয়েছে শিহরণ-

আমার মনে, আমার ক্লান্ত শরীরে।

সাথে সাথে খুলে গেল জানালা,

আজ আমি প্রকৃতির সাথে একদম একলা,

কিন্ত মনে হচ্ছে পুরো ভুবন আমার সাথে।

মাঝে মাঝে ছুঁয়ে যাচ্ছে বৃষ্টি আমাকে।

কখনো বা ঝড়ো বাতাস আমার সাথে খেলছে ভালো,

আমার মাথার চুলগুলোকে করছে শুধু এলোমেলো।

একটা অসাধারন অনুভূতি জাগছে আমার মনে,

মনে হচ্ছে সাময়িক এর জন্য গোটা ভুবন আমার সাথে।

আজ জ্বলবে না কোনো কৃত্রিম আলো,

বিদায় জানায় কৃত্রিম হাওয়া কেও।

আজ প্রকৃতির চমকানো আলোতেই,ঘর হবে আলো;

সেই আলোয় তোমায় আমায় লাগবে বেশ ভালো।

চল,জ্বালিয়ে দিই মাটির প্রদীপ…

View original post 102 more words

দূর্গা মা

durga ma photo �র ছবির ফলাফল

মাগো চারটে দিনে কি হবে বল,

তুই আমার সাথে চল।

গোটা গ্রাম ঘুরলে পরে,

প্রাণ যাবে শিউরে।

তুই যখন আসিস মা ,

চারটে দিনে কিছুই দেখতে পাস্ না।

ওই চারটে দিনে সবাই ভদ্র সেজে থাকে,

হাসি,খুশি ,খাওয়া দাওয়া তে শুধুই মাতে।

সব্বাইকে আপন করে নিজেকে ব্যস্ত রাখে।

জানিস মা,তুই যাওয়ার পর-

আপন কেমন হয়ে যায় পর।

সবাই তোকে বড্ড করে ভয় ,

আসল রূপ দেখতে গেলে ওই চারটে দিনে কি হয় ?

থাকিস মা সারা বছর, দেখিস মা আসল চেহারা,

দেখিস মা কত মানুষ কেঁদে কেঁদে দিশাহারা।ও

তুই থাকিস বলে,

সব্বাই দুঃখ টা ভুলে,

থাকে মা তোর পানে চেয়ে।

থাকিস মা সারাটা বছর ,দেখিস সবার কান্না,

দেখবি তখন আর ছেড়ে যেতে পারবি না।

আমার তুমি যখন অন্য দেশে

আমার তুমি যখন আমায় ছেড়ে

বহু দূরে ভিন দেশে,

তোমার আমাকে তোমার কাছে পৌঁছতে

কত্তো কাঠ খড় হবে পোড়াতে,

লাগবে পাসপোর্ট,ভিসা আরো কত্তো কি ?

তোমার সরল ভালোবাসা এতো কিছু বোঝে কি ?

তোমার সেই ফেলে আসা ধুলোমাখা শহরটা –

একরাশ বেদনা নিয়ে জেগে -সেই কলকাতা,

যাকে তুমি খুব খুব ভালোবাসতে,

যার জন্য অন্য শহরে পারো নি যেতে,

আজ হঠাৎ তোমার মন গিয়েছে বদলে ।

তাইতো কঠিন বাস্তবে দাঁড়িয়ে,সব কিছু ফেলে,

পাড়ি দিয়েছো সুদূর বিদেশে,

ঘর বাড়ি সব কিছু থেকে দূরে ,বহূ দূরে।

অনুভূতি

অনুভূতির মাত্রাগুলোর গভীরতা,

কখনো কমে আবার কখনো বাড়তে থাকে,

ঠিক যেমন হৃৎস্পন্দনের কম্পনতা ,

থাকতে পারে না সরলরেখাতে।

অনুভূতি কেমন যেন খামখেয়ালি,

শুধুই করতে থাকে হেয়ালি।

সম্পর্কগুলো জেগে ওঠে,

ভালো অনুভূতির স্পর্শে।

সম্পর্কগুলো ম্লান হয়ে যায়,

খারাপ অনুভূতির ছোঁয়ায়।

ভালোবাসা কেমন যেন ঘ্যানঘ্যানে,

যদি সব ই ভাসে একই ছন্দে একই স্রোতে,

সবার জীবনেই সময়ের সাথে সাথে,

সমস্ত অনুভুতিই কেমন যেন প্যানপ্যানে।

একা

যখন মাতৃগর্ভ থেকে বেরিয়ে এসেছিলাম -একদম একা।

খুব চিৎকার করে কেঁদেছিলাম -কিন্তু একা।

বাবা,মা,দাদা,ভাই,বোন কিন্তু বেশ হাসিখুশিতে ছিল মেতে,

আমিও ধীরে ধীরে ব্যস্ত হয়ে পড়লাম আনন্দেতে।

ব্যাস ,যেই একটু বড় হয়ে গেলাম,

ওমনি স্কুল,প্রাইভেট এর খাঁচায় বন্দি হলাম।

কিন্তু তবুও আপনজনের ভালোবাসা ছিল,

জ্বর জ্বালাতে পাশে থাকার অনেকে ছিল।

এমনিভাবেই পার করলাম কলেজের ও চারটি বছর,

কিন্তু সেখানেও বন্ধুরা ছিল খুব ই আপনজন।

তারপর অজানা অচেনা একজনের সাথে ঘর বাঁধলাম,

কয়েকটা বছর বেশ ভালোবাসায় ডুবে থাকলাম।

তারপর যখন নিজে একদিন মা হলাম,

নিজের সব কিছু দুষ্টুমি ,শিশুসুলভ আচরণ ত্যাগ করলাম।

এইভাবে ত্যাগ করতে করতে একদিন উপলব্ধি করলাম,

সব কিছু থেকেও কেমন যেন একাকিত্ব অনুভব করলাম।

সত্যি আজ আমি একাকিত্বের সাথে মিশে,

থাকতে পারি না বেশি লোকজনের আশেপাশে।

লিখতে পারি

লিখতে পারি তোমার সর্বস্ব নিয়ে,

লিখতে পারি এক পৃথিবী ।

লিখতে পারি তোমার সাথে বাস্তবের সামঞ্জস্য রেখে,

এক চমকানো কাহিনী ।

লিখতে পারি পাতার পর পাতা ।

লিখতে পারি এক কদমে তোমার জীবনকথা ।

লিখতে পারি শুধু তোমাকে নিয়ে,

রাস্তা থেকে শুরু করে শেষ করবো আকাশ দিয়ে।

আকাশের যেমন নেই কোনো ইতি,

আমার ও লিখার থাকবে নাকো সমাপ্তি।

যা খুশি ছবি দাও আমার হাতে,

লিখা ঝরবে সব কিছুতে,

ছবিটা যেন হয় শুধু প্রকৃতির,

তাহলে অদম্য স্রোতে ভাসবে লিখা আমার।